আজ থাকছি প্রাণের বই মেলায়। সবাইকে আমন্ত্রণ। দেশ বাংলা প্রকাশনী স্টল নং ১২৬, ১২৭! দেখা হবে প্রাণের বই মেলায় বইপ্রেমীদের সঙ্গে।

আজ থাকছি প্রাণের বই মেলায়। সবাইকে আমন্ত্রণ। দেশ বাংলা প্রকাশনী স্টল নং ১২৬, ১২৭! দেখা হবে প্রাণের বই মেলায় বইপ্রেমীদের সঙ্গে।

“হরিষে বিষাদ”

আব্বা রিটায়ার করেছেন অনেকদিন। জীবন এভাবে সাজিয়েছেন বৈষয়িক বিষয় নিয়ে তাঁকে বড় একটা ভাবতে হয় না। শরীর স্বাস্থ্য ভালো, হাসিখুশি মানুষ। সৌখিন কিন্তু বাতিকগ্রস্ত। হঠাৎ এক বাতিক তাঁকে পেয়ে বসে। তাতে আমরা সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি। আব্বার ছিল খাওয়া দাওয়ার শখ। রসনা তৃপ্তির কত যে কাহিনী তাঁর কাছে শুনেছি। তার মুখে পুরনো দিনের কথা শুনে […]

“খেয়া ঘাটের স্মৃতি”

রাতে প্রচন্ড ঝড় হয়েছিল। ঝড় সবকিছু লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে গেছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে সবাই দেখে সব কিছু ভেঙ্গে চুরে একাকার। তা দেখে কৈশোর মনে আমিও হতবাক! সকালে স্কুলে যাব। স্কুলে যাবার পথে মাঝখানে একটা সাঁকো ছিল। সাঁকোটা ভেঙ্গে গেছে অনেকদিন। খাল পারাপারের জন্য এখন খেয়া নৌকা ভরসা। লোকজন খেয়া নৌকায় পার হয়। সেদিন স্কুলে […]

”ঘড়ির প্রহর বাদ্য”

আমার ছোট মামা ব্রিটিশ আর্মিতে চাকরি করতেন। তাঁর চলনে বলনে ফৌজি ভাবটা আজীবন বহাল ছিল। অনেক গুণের মধ্যে তাঁর একটি দোষ ছিল তিনি ছিলেন দারুন রগচটা ধরনের মানুষ। কথা বলার সময় তিনি উচ্চস্বরে কথা বলতেন। সেটা তাঁর কানে কম শোনার জন্য হতে পারে বলে অনেকে অনুমান করতেন। তাঁর শ্রুতি বিভ্রাটের বিষয়টি যাচাই করার কোন সুযোগ […]

”সং নিয়ে সংসার”

পাঁচ ভাই বোন আর বাবা-মা নিয়ে আলেয়াদের সংসার। বড় দুই ভাই তারপর আলেয়া। এরপর এক ভাই এক বোন। আলেয়ার বাবা সীমিত আয় দিয়ে দক্ষ হাতে সংসার চালাতেন। প্রাচুর্য না থাকলেও সংসারে অভাব ছিল না। এক্ষেত্রে আলেয়ার মায়েরও ছিল নীরব আর দৃঢ় ভূমিকা। সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে। মাকে দেখলে কথাটা বারবার মনে পড়ে আলেয়ার। হঠাৎ […]

”সর্বনাশা প্রতিদান”

বার্ধক্যে একাকীত্বের যন্ত্রণা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বোঝেনা। জীর্ণ অস্তিত্বের ছাপ শরীরে পড়লেও মনটাকে জরাজীর্ণ করে না। একটা অবলম্বন তখন জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। ছোট্ট মেয়ে মায়া আজিজার বার্ধক্যের একাকীত্ব পূরণ করছে। সাইফুল আর মর্জিনা স্বামী স্ত্রী। দুজনই কর্মজীবী। তাদের ছোট মেয়ে মায়াকে রেখে যায় দাদি আজিজার কাছে। সারাদিন কাজ করে ফেরার পর দুইজনেই ক্লান্ত থাকে। […]

”ভাগ্যের নাগরদোলা”

দুনিয়ায় প্রতিটি মানুষ আসে তার নিজের নিয়তি নিয়ে। নিয়তির লিখন তাকে পৌঁছে দেয় নির্ধারিত অন্তিমে। তিশা যেন বাবা-মার কাছে আসমানের চাঁদ। সব সন্তানেই তার পিতা মাতার কাছে তেমনি। তিশার কত যে খেলনা কত জামা কাপড় তার হিসাব নেই। নানি জাহানারার বয়স হয়েছে। তিনি এসব দেখে বলেন, মেয়েকে এত আদর আহ্লাদ দিয়ে বড় করিস না। কী […]